চলতি অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড রিকভারি, রিস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন—এই তিন স্তরের কৌশল নিয়েছে। কর প্রশাসনে বিনিয়োগ, দক্ষতা উন্নয়ন, তথ্যব্যবস্থার সমন্বয়, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও করদাতা সেবা জোরদারকে এই পরিকল্পনার প্রধান চালিকা শক্তি ধরা হয়েছে।

পরিকল্পনায় করের আওতা বাড়ানো, বকেয়া ও ফাঁকি দেওয়া কর আদায়, স্বেচ্ছায় পরিপালন উৎসাহিত করা এবং অমীমাংসিত কর মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। আয়কর, ভ্যাট ও শুল্ক—তিন শাখার জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনাও রাখা হয়েছে।

এনবিআর মনে করছে, প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং সেবা সহজ হলে রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি করদাতার আস্থাও বাড়বে। তবে বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখার দাবি রয়েছে।