টানা গরম ও উচ্চ আর্দ্রতায় ১ জুন ২০২৬ উলিপুরের আনন্দবাজার এলাকায় কুড়িগ্রাম-চিলমারী সড়কের পিচ নরম হয়ে যায়। গলে ওঠা পিচে রিকশা ও অটোরিকশার চাকা আটকে গিয়ে চলাচলে সমস্যা তৈরি হয়।
রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ মে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পরের কয়েক দিনে তা বেড়ে ৩৬ দশমিক ৫ ডিগ্রিতে পৌঁছায়। তাপমাত্রার সঙ্গে অতিরিক্ত আর্দ্রতা যুক্ত হওয়ায় অনুভূত গরম আরও তীব্র হয়ে ওঠে।
দুপুরের পর অনেক রাস্তা ফাঁকা হয়ে যায়। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন রিকশাচালক, দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকেরা। দীর্ঘ সময় রোদে কাজ করলে মাথা ঘোরা, পানিশূন্যতা ও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে বলে স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাবার গ্রহণ, সম্ভব হলে দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলা এবং অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া। সড়ক কর্তৃপক্ষেরও অতিরিক্ত তাপে ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত পরিদর্শন করা প্রয়োজন।
প্রতিবেদনটি ১ জুন ২০২৬-এ প্রথম আলোয় প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে নতুনভাবে প্রস্তুত।





মন্তব্য